কমিশনিং টেস্ট বলে দেয়, যে অবস্থায় আমরা পরীক্ষা করেছি সেই অবস্থায় প্লান্ট অ্যাকসেপ্ট্যান্স ক্রাইটেরিয়া পূরণ করেছে কি না। পরে সাইটে ফিরে আমি অন্য কিছু জানতে চাই। প্রোডাকশন বদলালে, ইনফ্লুয়েন্টের চেহারা পাল্টালে বা অভিজ্ঞ অপারেটর শিফটে না থাকলে কী হয়?
এই সময়েই বোঝা যায় সাইট টিম ট্রিটমেন্ট প্রসেস কতটা নিজের নিয়ন্ত্রণে নিতে পেরেছে।
হ্যান্ডওভারের সময় একজন অপারেটরকে বলি, একটি খারাপ দিনের কথা ধরে আমাকে ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দিন। ফাইনাল এফ্লুয়েন্টের কালার বদলালে প্রথমে কী চেক করবেন? আগের শিফটের সঙ্গে কোন রিডিং তুলনা করবেন? ডোজ সমন্বয়ের পর কালার ভালো হলে সমস্যা সমাধান হয়েছে বলার আগে আর কী মনিটর করবেন?
এই উত্তরগুলো প্রস্তুতি সম্পর্কে অনেক সময় মোটা অপারেটিং ম্যানুয়ালের চেয়ে বেশি বলে। ভালো ম্যানুয়াল প্রয়োজন, কিন্তু সেই মুহূর্তে কোন পৃষ্ঠা, কোন রিডিং ও কোন অ্যাকশন প্রাসঙ্গিক, তা অপারেটরের জানা দরকার। প্রজেক্ট টিম একটি ব্যবহারযোগ্য বেসলাইন রেখে এবং তার গুরুত্ব বুঝিয়ে দিয়ে সাহায্য করতে পারে। অ্যাকসেপ্ট্যান্স টেস্টের সময় প্লান্ট কী ধরনের পানি ট্রিট করছিল? কোথা থেকে স্যাম্পল নেওয়া হয়েছিল? অবস্থা বেসলাইন থেকে সরে যাচ্ছে, তার প্রথম লক্ষণ কী?
হ্যান্ডওভারের সময় তিনটি জিনিস রেখে যেতে চাই।
- এমন একটি বেসলাইন, যা পরের শিফট লগবুক থেকে মিলিয়ে নিতে পারে।
- সবচেয়ে সম্ভাব্য প্রসেস আপসেটে কী করতে হবে এবং অ্যাকশনটি কাজ করেছে কি না কীভাবে বোঝা যাবে।
- সংখ্যা বা প্লান্টের অবস্থা ভিন্ন ইঙ্গিত দিলে ফলোআপের জন্য নির্দিষ্ট একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি।
এই হ্যান্ডওভার লেসন দিয়ে ব্লগটি আবার শুরু করছি। ডিজাইন অনুযায়ী প্লান্ট তৈরি হয়। ডিজাইনটি কীভাবে বোঝাই, টেস্ট করি ও হ্যান্ডওভার করি, তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে আমরা চলে যাওয়ার পর প্লান্টটি মানুষ চালাতে পারবে কি না।
Leave a Reply